মাদানীর মোবাইলে পর্নো ভিডিও, ভাবির বোনকে গোপনে বিয়ে

 

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় ‘শিশু বক্তা’ হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশের হাতে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

গ্রেফতারের পর মাদানীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে আপত্তিকর (পর্নো) ভিডিও পাওয়া গেছে। এছাড়াও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিয়ে নিয়েও দিয়েছেন অস্পষ্ট তথ্য।

র‌্যাব বলছে, ২০১৯ সালের শেষ দিকে এক আত্মীয়কে বিয়ে করেন মাদানী। কিন্তু বিয়েটা তিনি গোপনেই করেছিলেন। যা তার পরিবার বা এলাকাবাসীকে কেউই জানতো না।

গতকাল বুধবার সকালে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার কংস তীরবর্তী লেটিরকান্দা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে মাদানীকে গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরের পর রাতেই তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

র‌্যাব বলছে, হেফাজতের সঙ্গে সখ্যতা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে কটূক্তির বিষয়ে মাদানীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

র‌্যাব সদর দফতরের গোয়েন্দা শাখার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হেফাজত নেতা মামুনুল হকের মতো মাদানীরও বৈবাহিক জীবন অস্পষ্ট। তিনি ২০১৯ সালের শেষ দিকে নিজের ভাবির এক চাচাতো বোনকে (নাম আসমা বেগম) দুই পরিবারের অজান্তে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের কাবিননামা বা সাক্ষী সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি মাদানী।

ওই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মাদানীর মোবাইল ফোনে বেশ কিছু আপত্তিকর ভিডিও পাওয়া গেছে। এছাড়াও রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্বেধ কুৎসা, কটূক্তিমূলক বক্তব্যের ভিডিও ও ফেসবুক কনটেন্ট পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা হবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের বিরুদ্ধে গত ২৫ মার্চ বিক্ষোভ চলাকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে রফিকুলকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে ছেড়েও দেয়া হয়।

ইসলামী দলগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রফিকুলের বয়স ২৫ বছর হলেও শারীরিক গঠনের কারণে ভক্তরা তাকে ‘শিশু বক্তা’ বলেই ডাকেন।

 

আপনার মতামত প্রদান করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের অন্যান্য