‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য অবমাননা ও উগ্র সাম্প্রদায়িতা রুখতে সাংস্কৃতিক জাগরণের আহ্বান’

জকিগঞ্জ টাইমস ডেস্ক::

সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নিবেদিত সংগঠন নাট্যমঞ্চ সিলেটের গৌরবের ৩০ বছর উদযাপনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রতিবাদ করা হয় হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য অবমাননার। উগ্র সাম্প্রদায়িকতা রুখতে সাংস্কৃতিক জাগরণের আহ্বান জানানো হয় পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।

৭ ডিসেম্বর সোমবার রিকাবীবাজার কবি নজরুল অডিটোরিয়াম মুক্ত মঞ্চে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় নাট্যমঞ্চের ৩০ বছর উদযাপন অনুষ্ঠান। নৃত্যশৈলী সিলেটের উদ্বোধনী নৃত্যের পর মঞ্চে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকল অন্ধকারের বিরুদ্ধে, আলোকিত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাতে প্রদীপের আলো প্রজ্জলন করা হয়।

নাট্যমঞ্চ সিলেটের সভাপতি রজত কান্তি গুপ্তের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেবজিৎ সিনহা, নিরাজ কুমার জসওয়াল, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের প্রধান পরিচালক অরিন্দম দত্ত চন্দন, সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, আবৃতি সমন্বয়ক পরিষদের সহ সভাপতি মোকাদ্দেস বাবুল, সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সদস্য শামসুল আলম সেলিম। জান্নাতুল নাজনীন আশা ও বন্যা ব্যানার্জির পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাপ্পি কুমার মজুমদার।

সাংস্কৃতিক উৎসবে, আবৃত্তি, নৃত্য, পাঠাভিনয়, কৌতুক, নাট্যাংশ ও বাউলগান পরিবেশিত হয়। নাট্যমঞ্চ সিলেটের বিভিন্ন পরিবেশনা ছাড়াও ছন্দ নৃত্যালয় সিলেট, দলদলি চা-শ্রমিক পরিবারের নৃত্যশিল্পী, বাউল শিল্পী সূর্য লাল দাস, কৌতুক অভিনেতা নাট্যকর্মী সাজ্জাদ, সামি সহ শিল্পীবৃন্দ।

নাট্যমঞ্চ সিলেটের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক উৎসবে সিলেটের বিভিন্ন নাট্য ও সাংস্কৃতিক দলকে নাট্যমঞ্চের লোগো সম্বলিত মাস্ক উপহার দেওয়া হয়। সংগঠনটি এক হাজার সংস্কৃতি কর্মী ও শোভানুধ্যায়ীকে শুভেচ্ছা মাস্ক উপহার দিবে। রাত ৯টায় বাউলগানের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

এমএনআই

আপনার মতামত প্রদান করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের অন্যান্য