প্রবাসে ফটোসাংবাদিক হয়ে উঠার গল্প

মিহির মোহন দাস : প্রায় পাঁচটি বছর ছিলাম ইংল্যান্ডের প্রিয় নগর বার্মিংহামে। পড়াশুনা করতে গিয়ে সেখানে স্থানীয় মিডিয়াতে কিভাবে নিজেকে জড়িয়ে ফেলি নিজেও জানিনা। লেখালেখির নেশা সেই ছোট বেলা হতে। যে নেশা হতে আর বের হওয়া যায় না। সেখানে গিয়ে একটি ক্যামেরা কিনি প্রথমে ৫০ পাউন্ড দিয়ে। আমার ছবি তোলার নেশা ও টান দেখে আমার কাজিন (সেখানের স্থানীয় বাসিন্দা) সনজয় দাস সঞ্জু আমাকে DSRL ক্যামেরা ও একটি ভিডিও ক্যামেরা আমাকে উপহার দেয়। আর আমি পুরোদস্তর একজন ফটো সাংবাদিক হয়ে যাই। আমি সঞ্জুর কাছে কৃতজ্ঞ-কারণ তার এ উপহারের কারণে অনেক দুর্লভ ছবি এখন আমার সংগ্রহে আছে।

বার্মিংহামে থাকাকালীন সময়ে হঠাৎ একদিন বাংলা ভয়েস পত্রিকা হাতে পাই। পড়তে গিয়ে দেখি সম্পাদকের নাম মোহাম্মদ মারুফ। আমার পরিচিত সিলেটের সেই মারুফ ভাই কি না? একটু সাহস করে ফোন করে ফেলি । দেখি ঠিক আমার কাংঙ্খিতজন। একদিন বাংলা ভয়েস অফিসে গিয়ে দেখা করলাম। অনেক কথা হলো। একসময় বাংলা ভয়েসে লেখালেখি শুরু করলাম। তারপর ধীরে ধীরে অনেকের সাথে পরিচিত হলাম। মোটামুটি বার্মিংহামের মিডিয়ার সবার সাথে একটা সুসম্পর্ক হয়ে গেলো। স্পষ্টভাষী সাংবাদিক Sales & Marketing Manager at ATN Bangla UK | কাছয়ারুল ইসলাম সুমন ভাই এর আত্মিক টানে তৎকালীন সময়ে চ্যানেল নাইন বামিংহামে কাজ করার সুযোগ পাই। ধন্যবাদ সুমন ভাইকে। অনেক নতুনদের তিনি হাতে ধরে কাজ শিখিয়েছেন। এমন মানুষ খুব কম। নিজে ছোট কাগজ শিখা এর সম্পাদনা করি।

করোনা অবসরকালীন সময়ে সেসব ছবি একত্র করে একটি এলবাম বের করার কাজ করছি। আর লিখতে গিয়ে অনেকের ছেবি আমার চোখে ভেসে আসছে। আর এ এলবামটি আমার কাজিন ছোট ভাই সঞ্জুকে উৎসর্গ করছি। যার কারণে আমিএত বড় কাজ করতে পারছি।

এ ছবিটি ঐতিহাসিক স্মলহীথ পার্ক এর। ২০১২ সালে তোলা ছবি। যেখানে ২৮ শে মার্চ , ১৯৭১ সাল প্রবাসের বুকে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

লেখক : প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ, সিলেট মদন মোহন কলেজ

আপনার মতামত প্রদান করুন
  • 29
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের অন্যান্য