মেধাবী মুখ : এ-প্লাস পেয়ে যা বললেন ছিদ্দিকা-ফাতেমাতুজ্জহুরা

লিমন তালকদার : জকিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গুরুসদয় স্কুল এন্ড কলেজ। মাধ্যমিক পরীক্ষায় দ্যুতি ছড়ালো গোটা উপজেলায়। এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেয় ১০১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হলেন ৯১ জন। এ-প্লাস পেয়েছেন দুই কৃতি শিক্ষার্থী। এই দুই কৃতি শিক্ষার্থী হলেন ছিদ্দিকা এবং ফাতেমা তুজ্জুহুরা।

ছিদ্দিকা : ছিদ্দিকার বাড়ি উপজেলার বীরশ্রী ইউনিয়নের বিপক গ্রামে। পিতার নাম হোসাইন আহমদএবং মায়ের নাম গুলশানা বেগম। ছিদ্দিকা শুরুতেই ভালো ফলাফলের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সেই সাথে বাবা-মায়ের অবদানকেও অনেক বড় করে তুলে ধরতে চায় ছিদ্দিকা। জকিগঞ্জ টাইমসকে ছিদ্দিকা বলেন, ‘আমি অনেক পরিশ্রম করেছি আমার পরিবারের মুখ উজ্জল করার জন্য। আমার আশা আমি বড় ডাক্তার হবো।’ তিনি প্রত্যাশা পুরণে সকলের দো’আ ও সহযোগীতা কামনা করেন। ছিদ্দিকার বাবা বলেন আমার মেয়ে এ+ পেয়েছে তাতে আমি অনেক আনন্দিত।

ফাতেমাতুজ্জুহরা : একই ইউনিয়ন বিরশ্রীর পিইয়াপুরে জন্ম ফাতেমা তুজ্জুহুরার। পিতার নাম বাবুল আহমদ এবং মাতা সুলতানা বেগম। ফাতেমা তুজ্জহুরা জানায়, পরিবারের মুখ উজ্জল করার জন্য রাত দিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। সেই সাথে নিয়মিত স্কুলের অনুশীলন চালিয়ে গেছি। তিনি কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য স্কুল শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সহযোগীতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। ফাতেমার মতে, পরিবার হচ্ছে ভালো ফলাফলের জন্য প্রধান প্রেরণা। বাবা বাবুল আহমদ বলেন, ‘আমার মেয়ে পরিক্ষাতে এ+ পেয়েছে এতে আমি অনেক বেশি আনন্দিত। আমি মহার রাব্বুল আলামিন এর কাছে দোয়া করি আমার মেয়ে যেনো লেখা পড়া করে সমাজে মাথা উঁচু করে যেন দাঁড়াতে পারে।’

আপনার মতামত প্রদান করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের অন্যান্য